লোড হচ্ছে...
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) লাখো মানুষের নবীপ্রেমের আবেগে মুখর হয়ে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া ...
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) লাখো মানুষের নবীপ্রেমের আবেগে মুখর হয়ে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ৫৫তম জশনে জুলুস। বিশ্বশান্তি ও মানবতার বার্তা নিয়ে আয়োজিত এই ধর্মীয় শোভাযাত্রায় এবারও ৫০ লাখের বেশি মানুষের সমাগম হবে বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকেরা।
এবারের জুলুসে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)। অতিথি হিসেবে রয়েছেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ (ম.জি.আ.)।
আজ সকাল ৮টায় ষোলশহরের আলমগীর খানকা-এ-কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া থেকে জুলুস শুরু হয়ে বিবিরহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি, ওয়াসা, দামপাড়া, লালখান বাজার ও টাইগারপাস হয়ে আবার জুলুস ময়দানে ফিরে আসবে।
জানা গেছে, জশনে জুলুসের গোড়াপত্তন হয় ১৯৭৪ সালে। পীরে কামেল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.)-এর দিকনির্দেশনায় এবং আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম নগরীতে প্রথম এই জুলুস অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, জুলুসকে কেন্দ্র করে উৎসবের সাজে সেজেছে পুরো চট্টগ্রাম। সড়কের দুই পাশে পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন, তোরণ ও আলোকসজ্জায় বদলে গেছে নগরের চেহারা। কাজির দেউড়ি, মুরাদপুর, ষোলশহর, জিইসি মোড়, ২ নম্বর গেটসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে বর্ণিল সাজসজ্জা।
জুলুসের শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনায় প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি নগর পুলিশ নিয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা। জুলুস চলাকালে লালখান বাজার-মুরাদপুর ফ্লাইওভার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
আনজুমান ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মনজুর আলম মনজু বলেন, জশনে জুলুসের মূল বার্তা হলো শান্তি, মানবতা, অহিংসা এবং প্রিয়নবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও আদর্শকে জীবনে ধারণ করা। অশান্ত বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর সুমহান আদর্শ প্রচার এবং মুসলিম মিল্লাতের ঐক্য সুদৃঢ় করাই এই জুলুসের প্রধান লক্ষ্য।
Google AdSense Space
গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদনের পর এখানে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে