লোড হচ্ছে...
মাস্কাট: ওমানের সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় আগামী নভেম্বরে মাস্কাট গভর্নরেটে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’-এর চতুর্থ সংস্...
মাস্কাট: ওমানের সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় আগামী নভেম্বরে মাস্কাট গভর্নরেটে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’-এর চতুর্থ সংস্করণের জন্য নিবন্ধন শুরু করেছে।
তিনটি সফল সংস্করণের পর এবার আরও বিস্তৃত পরিসরে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হচ্ছে। এতে ওমানি ও আরব তরুণদের আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, কূটনীতি, নেতৃত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
কর্মসূচিতে তরুণদের সঙ্গে কূটনৈতিক নেতাদের মতবিনিময়, জাতিসংঘ প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইউনিটার)-এর সহযোগিতায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, প্রোটোকল ও শিষ্টাচার বিষয়ক বিশেষ সেশন এবং মডেল ইউনাইটেড নেশনসের আদলে একটি সিমুলেশন কার্যক্রম থাকবে।
এ ছাড়া কূটনৈতিক নৈশভোজ, দৈনিক নিউসংস্কৃতি, ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয়ের যুব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিলাল বিন সাইফ আল সিয়াবি বলেন, তরুণদের ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে ‘ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’ মন্ত্রণালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত উদ্যোগ।
তিনি জানান, চতুর্থ সংস্করণে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেড়ে ১৬০ জনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ওমানের বাইরে থেকে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যাও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আল সিয়াবি বলেন, কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো তরুণদের মধ্যে কূটনৈতিক ও নেতৃত্বের দক্ষতা গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসমক্ষে বক্তব্য, যোগাযোগ, গণমাধ্যম ও উপস্থাপনার সক্ষমতা উন্নত করা। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে ওমানকে প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম একটি দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
কর্মসূচিটির সফল বাস্তবায়নে ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়টিও তুলে ধরেছেন আল সিয়াবি। এসব অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তরুণদের জন্য উচ্চমানের প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।জলেটার, দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন ও বিভিন্ন পরিচিতিমূলক কার্যক্রমও কর্মসূচির অংশ হিসেবে থাকছে। এর মাধ্যমে তরুণদের জ্ঞান, নেতৃত্ব, যোগাযোগ, জনসমক্ষে বক্তব্য এবং দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে।
আগের সংস্করণগুলোর অংশগ্রহণকারীরাও কর্মসূচিটির ইতিবাচক প্রভাবের কথা তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, এই উদ্যোগ তরুণদের কূটনীতি, সংলাপ, গবেষণা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, জনসমক্ষে বক্তব্য এবং দলগত কাজের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আয়োজকদের আশা, চতুর্থ সংস্করণের মাধ্যমে আরও বেশি তরুণ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও কূটনীতি সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি কর্মসূচি শেষে প্রাক্তন অংশগ্রহণকারীদের নেটওয়ার্ক ও বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে এই অভিজ্ঞতাকে দীর্ঘমেয়াদে কাজে লাগানোর সুযোগও তৈরি করা হবে।
Google AdSense Space
গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদনের পর এখানে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে